পশ্চিমবঙ্গের টপ টেন মন্দির ! - UHC বাংলা

UHC বাংলা

...মুক্ত চিন্তায় বিশ্বাসী একটি গ্লোবাল বাংলা প্লাটফর্ম!

ব্রেকিং নিউজ

Home Top Ad

Monday, November 19, 2018

পশ্চিমবঙ্গের টপ টেন মন্দির !



Belur Math, Hugly, Kolkata

বেলুড় মঠ :
বেলুড় মঠ হল রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠমিশনের প্রধান কার্যালয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া শহরের বেলুড় অঞ্চলে হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত বেলুড় মঠ কলকাতা-সন্নিহিত অঞ্চলের অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থল। বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মন্দির রামকৃষ্ণ ভাব-আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র। এই মন্দিরটি হিন্দু, ইসলামি, বৌদ্ধখ্রিস্টান স্থাপত্যের মিশ্রণে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন।
৪০ একর জমির উপর অবস্থিত মূল মঠপ্রাঙ্গনে রামকৃষ্ণ পরমহংস, সারদা দেবী, স্বামী বিবেকানন্দের দেহাবশেষের উপর অবস্থিত মন্দির ও রামকৃষ্ণ মিশনের সদর কার্যালয় অবস্থিত। এছাড়াও রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ইতিহাসকে
তুলে ধরার লক্ষ্যে একটি সংগ্রহশালাও এখানে স্থাপিত হয়েছে। বেলুড় মঠ-সন্নিহিত একটি প্রাঙ্গনে গড়ে উঠেছে রামকৃষ্ণ মিশন অনুমোদিত বিভিন্ন শিক্ষাকেন্দ্র। স্বামী বিবেকানন্দের পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে মন্দিরের নকশা নির্মাণ করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসের অপর সাক্ষাতশিষ্য স্বামী বিজ্ঞানানন্দ। বেলুড় মঠ ভারতের একটি প্রধান পর্যটন আকর্ষণ এবং ভক্তদের নিকট একটি পবিত্র তীর্থ।

Dakshineswar Kali Temple, WB, India

দক্ষিনেশ্বর কালী মন্দির :
দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি কলকাতার অদূরে হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত একটি কালীমন্দির। এটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার কামারহাটি শহরের অন্তঃপাতী দক্ষিণেশ্বরে অবস্থিত। ১৮৫৫ সালে প্রসিদ্ধ মানবদরদি জমিদার রানি রাসমণি এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরে দেবী কালীকে "ভবতারিণী" নামে পূজা করা হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট যোগী রামকৃষ্ণ পরমহংস এই মন্দিরে কালীসাধনা করতেন।


Kalighat Kali Temple, Kolkata
কালীঘাট, কলকাতা :
কালীঘাট মন্দির কলকাতার একটি প্রসিদ্ধ কালীমন্দির এবং একান্ন শক্তিপীঠের অন্যতম হিন্দু তীর্থক্ষেত্র। এই তীর্থের পীঠদেবী দক্ষিণাকালী এবং ভৈরব বা পীঠরক্ষক দেবতা নকুলেশ্বর। পৌরাণিক কিংবদন্তি অনুসারে, সতীর দেহত্যাগের পর তাঁর ডান পায়ের চারটি (মতান্তরে একটি) আঙুল এই তীর্থে পতিত হয়েছিল। কালীঘাট একটি বহু প্রাচীন কালীক্ষেত্র। কোনো কোনো গবেষক মনে করেন, "কালীক্ষেত্র" বা "কালীঘাট" কথাটি থেকে "কলকাতা" নামটির উদ্ভব।[১] জনশ্রুতি, ব্রহ্মানন্দ গিরি ও আত্মারাম ব্রহ্মচারী নামে দুই সন্ন্যাসী কষ্টিপাথরের একটি শিলাখণ্ডে দেবীর রূপদান করেন। ১৮০৯ সালে বড়িশার সাবর্ণ জমিদার শিবদাস চৌধুরী, তাঁর পুত্র রামলাল ও ভ্রাতুষ্পুত্র লক্ষ্মীকান্তের উদ্যোগে আদিগঙ্গার তীরে বর্তমান মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে। পরবর্তীকালে মন্দিরের কিছু পোড়ামাটির কাজ নষ্ট হয়ে গেলে সন্তোষ রায়চৌধুরী সেগুলি সংস্কার করেন। বর্তমান এই মন্দিরটি নব্বই ফুট উঁচু। এটি নির্মাণ করতে আট বছর সময় লেগেছিল এবং খরচ হয়েছিল ৩০,০০০ টাকা। ! মন্দির সংলগ্ন জমিটির মোট আয়তন ১ বিঘে ১১ কাঠা ৩ ছটাক; বঙ্গীয় আটচালা স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মূল মন্দিরটির আয়তন অবশ্য মাত্র ৮ কাঠা। মূল মন্দির সংলগ্ন অনেকগুলি ছোটো ছোটো মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ, শিব প্রভৃতি দেবতা পূজিত হন।
কালীঘাট কালীমন্দিরের কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটি অভিনব রীতিতে নির্মিত। মূর্তিটির জিভ, দাঁত ও মুকুট সোনার। হাত ও মুণ্ডমালাটিও সোনার। মন্দিরে মধ্যে একটি সিন্দুকে সতীর প্রস্তরীভূত অঙ্গটি রক্ষিত আছে; এটি কারোর সম্মুখে বের করা হয় না। প্রতি বছর পয়লা বৈশাখ, দুর্গাপূজাদীপান্বিতা কালীপূজার দিন মন্দিরে প্রচুর ভক্ত ও পু্ণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।
কালীঘাট মন্দিরের নিকটেই পীঠরক্ষক দেবতা নকুলেশ্বর শিবের মন্দির। ১৮৫৪ সালে তারা সিং নামে জনৈক পাঞ্জাবি ব্যবসায়ী বর্তমান নকুলেশ্বর মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। শিবরাত্রিনীলষষ্ঠী উপলক্ষে এই মন্দিরে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। কালীমন্দিরের পশ্চিম দিকে রয়েছে শ্যাম রায়ের মন্দির। ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে বাওয়ালির জমিদার উদয়নারায়ণ মণ্ডল এই মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। এখানে রামনবমীদোলযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ১৮৬২ সালে শবদাহের জন্য মন্দিরের অদূরে নির্মিত হয় কেওড়াতলা মহাশ্মশান। বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে এই শ্মশানে। এখানকার শ্মশানকালী পূজা বিখ্যাত।
মায়াপুর ইস্কন মন্দির :
মায়াপুর বা শ্রীমায়াপুর পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় অবস্থিত একটি গ্রাম ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র৷ এটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান নামে খ্যাত৷ মায়াপুর ভাগীরথী নদীর পূর্বপাশে অবস্থিত।মায়াপুরের কাছেই জলঙ্গী নদী ভাগীরথী নদীতে মিশেছে।
এখানে ইসকন (আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ) প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রোদয় মন্দির আছে। এই মন্দিরের অনেক সেবক শ্বেতাঙ্গ, যারা ইউরোপ ও আমেরিকার নানা দেশ থেকে এসে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
ইস্কনের অতিথিশালায় সামান্য ভাড়ায় থাকা ও খাওয়ার আয়োজন করা যায়৷ যেকোনো ধর্মের মানুষকে এখানে স্বাগত জানানো হয়।
মায়াপুর কলকাতার সাথে সড়কপথে যুক্ত। নিকটবর্তী রেলস্টেশন গঙ্গার অপর পাড়ে নবদ্বীপ ধাম। এছাড়া কলকাতার শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে কৃষ্ণনগর এসে সেখান থেকে বাসে মায়াপুর পৌঁছনো যায়। এখানে বেদিক প্লানটেরিয়াম নামে একটি বিশ্ব মানের মন্দির নির্মানাধীন।





Sri Sri Radha Madhav Sundar Mandir, Siliguri, WB
শ্রী শ্রী রাধা মাধব সুন্দর মন্দির, শিলিগুড়ি :
শ্রী শ্রী রাধা মাধব সুন্দর মন্দির, শিলিগুড়ি  উত্তর বঙ্গের মন্দির গুলোর মধ্যে ইস্কন নির্মিত এই মন্দিরটি সবচেয়ে আকর্ষণীয়।

মন্দিরের ওয়েবসাইট দেখুন :


Tarapith Temple, West Bengal
তারাপীঠ মন্দির :
তারাপীঠ পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের কাছে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র মন্দির নগরী। এই শহর তান্ত্রিক দেবী তারার মন্দির ও মন্দির-সংলগ্ন শ্মশানক্ষেত্রের জন্য বিখ্যাত। হিন্দুদের বিশ্বাসে, এই মন্দির ও শ্মশান একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। এই মন্দির শাক্তধর্মের পবিত্র একান্ন সতীপীঠের অন্যতম। এই স্থানটির নামও এখানকার ঐতিহ্যবাহী তারা আরাধনার সঙ্গে যুক্ত।
তারাপীঠ এখানকার "পাগলা সন্ন্যাসী" বামাক্ষ্যাপার জন্যও প্রসিদ্ধ। বামাক্ষেপা এই মন্দিরে পূজা করতেন এবং মন্দির-সংলগ্ন শ্মশানক্ষেত্রে কৈলাসপতি বাবা নামে এক তান্ত্রিকের কাছে তন্ত্রসাধনা করতেন। বামাক্ষ্যাপা তারা দেবীর পূজাতেই জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। মন্দিরের অদূরেই তাঁর আশ্রম অবস্থিত।
তারাপীঠ মন্দিরের উৎস ও তীর্থমাহাত্ম্য সম্পর্কে একাধিক কিংবদন্তি লোকমুখে প্রচারিত হয়ে থাকে। এগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কিংবদন্তি হল "শক্তিপীঠ" ধারণাটির সঙ্গে যুক্ত পৌরাণিক কাহিনিটি। শিবের স্ত্রী সতী তাঁর পিতা দক্ষের "শিবহীন" যজ্ঞ সম্পাদনার ঘটনায় অপমানিত বোধ করে। স্বামীনিন্দা সহ্য করতে না পেরে তিনি যজ্ঞস্থলেই আত্মাহুতি দেন। এই ঘটনায় শিব ক্রুদ্ধ হয়ে সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে প্রলয়নৃত্য শুরু করেন। তখন বিষ্ণু শিবের ক্রোধ শান্ত করতে সুদর্শন চক্র দ্বারা সতীর দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে দেন। সতীর দেহ একান্নটি খণ্ডে ছিন্ন হয়ে পৃথিবীর নানা স্থানে পতিত হয়। এইসকল স্থান "শক্তিপীঠ" নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। পশ্চিমবঙ্গেও এই রকম একাধিক শক্তিপীঠ অবস্থিত। এগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পীঠ হল কালীঘাট ও তারাপীঠ। সতীর তৃতীয় নয়ন বা নয়নতারা তারাপুর বা তারাপীঠ গ্রামে পড়ে এবং প্রস্তরীভূত হয়ে যায়। ঋষি বশিষ্ঠ প্রথম এই রূপটি দেখতে পান এবং সতীকে তারা রূপে পূজা করেন। অপর একটি কিংবদন্তি অনুসারে: সমুদ্র মন্থনের সময় উত্থিত হলাহল বিষ পান করার পর বিষের জ্বালায় শিবের কণ্ঠ জ্বলতে শুরু করে। এই সময় তারাদেবী শিবকে আপন স্তন্য পান করিয়ে তাঁর জ্বালা নিবারণ করেন। স্থানীয় কিংবদন্তী অনুসারে, বশিষ্ঠ তারাপীঠ নামে প্রসিদ্ধ এই তীর্থে দেবী সতীর পূজা শুরু করেন। পীঠস্থানগুলির মধ্যে তারাপীঠ একটি "সিদ্ধপীঠ", অর্থাৎ এখানে সাধনা করলে সাধক জ্ঞান, আনন্দ ও সিদ্ধি বা অলৌকিক ক্ষমতা প্রাপ্ত হন।
লোকমুখে প্রচারিত অপর একটি কিংবদন্তী অনুসারে, বশিষ্ঠ এখানে তারাদেবীর তপস্যা করেছিলেন। কিন্তু তিনি অসফল হন। তখন তিনি তিব্বতে গিয়ে বিষ্ণুর অবতার বুদ্ধের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বুদ্ধ তাঁকে বামমার্গে মদ্যমাংসাদি পঞ্চমকার সহ তারাদেবীর পূজা করতে বলেন। এই সময় বুদ্ধ ধ্যানযোগে জানতে পারেন মন্দিরে তারামূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজার করার আদর্শ স্থান হল তারাপীঠ। বুদ্ধের উপদেশক্রমে বশিষ্ঠ তারাপীঠে এসে ৩ লক্ষ বার তারা মন্ত্র জপ করেন। তারাদেবী প্রীত হয়ে বশিষ্ঠের সম্মুখে উপস্থিত হন। বশিষ্ঠ দেবীকে অনুরোধ করেন বুদ্ধ যে শিশু শিবকে স্তন্যপানরতা তারাদেবীকে ধ্যানে দেখেছিলেন, দেবী যেন সেই রূপেই তাঁকে দর্শন দেন। দেবী সেই রূপেই বশিষ্ঠকে দর্শন দেন এবং এই রূপটি প্রস্তরীভূত হয়। সেই থেকে তারাপীঠ মন্দিরে শিশু শিবকে স্তন্যপানরতা মূর্তিতে দেবী তারা পূজিত হয়ে আসছেন।[৯][১১]
শাক্তধর্মের তারাপীঠ ও বৈষ্ণবধর্মের নবদ্বীপ বাঙালি হিন্দুদের নিকট সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ রূপে পরিগণিত হয়।
108 Shiv Mandir, Bardhaman , WB

১০৮টি শিব মন্দির, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ :
অবস্থান- নবাবহাট, বর্ধমান জেলা, পশ্চিমবঙ্গ !
ঐশ্বর্যপূর্ণ পোড়ামাটির মন্দির দ্বারা সমৃদ্ধ অম্বিকা কালনাকে আসলে “মন্দিরের শহর” বলা হয়। শক্তির দেবী, মা কালীকে নিবেদিত, এই মন্দির সাধারণত আটচালা শৈলী দ্বারা নির্মিত।
কালনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় মন্দির হল এই ১০৮ শিব মন্দির চত্বর। বিষ্ণুপুরে রাজকীয় ভূসম্পত্তির স্থানান্তর এবং মালিকানা উদযাপন করার জন্য ১৮০৯ সালে মহারাজা তেজ চন্দ্র বাহাদুর দ্বারা এই মন্দির নির্মিত হয়েছিল। একটি স্থাপত্য বিস্ময়, এই মন্দিরের কাঠামো দুটি সমকেন্দ্রিক বৃত্তের একটি সমন্বয়, যার মধ্যে প্রতিটি ছোট মন্দির ভগবান শিবকে নিবেদিত করা হয়েছে। এটি একটি পুঁতির অক্ষমালাকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং এই মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ ও মহাভারতের পর্ব এবং শিকারের বহু দৃশ্যও চিত্রিত রয়েছে।
বাইরের দিকে চুয়াত্তরটি মন্দির আছে এবং ভিতরে চৌত্রিশটি মন্দির আছে যেগুলি মঙ্গলকর চিন্তাভাবনাসহ পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে নির্মিত হয়েছে। একে নব কৈলাশ মন্দিরও বলা হয় এবং এই ১০৮টি মন্দিরের প্রতিটিতে একটি করে শিব লিঙ্গ রয়েছে। ভেতরের প্রতিটি শিব লিঙ্গ সাদা রঙের (পুণ্যের প্রতীক) , অন্যদিকে বাইরের অর্ধেক লিঙ্গ কালো (পাপের প্রতীক)।
Jagannath Temple, Mahesh, West Bengal
মহেশের জগন্নাথ মন্দির :
ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম এবং বাংলার প্রাচীনতম রথযাত্রা উৎসব। এই উৎসব ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।[২] এটি পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর শহরের মাহেশে হয়। রথযাত্রার সময় মাহেশে এক মাস ধরে মেলা চলে। শ্রীরামপুরের মাহেশ জগন্নাথ দেবের মূল মন্দির থেকে মাহেশেরই গুন্ডিচা মন্দির (মাসীরবাড়ী) অবধি জগন্নাথ, বলরামসুভদ্রার বিশাল রথটি টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্টোরথের দিন আবার রথটিকে জগন্নাথ মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হয়।

BAPS Shri Swaminarayan Mandir, Kolkata.

Baps স্বামী নারায়ণ মন্দির, কলকাতা: 
বিড়লা মন্দির হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতা শহরে অবস্থিত একটি মন্দির। এটি বালিগঞ্জ অঞ্চলে আশুতোষ চৌধুরী রোডে অবস্থিত। শিল্পপতি বিড়লা পরিবার এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন।[১] জন্মাষ্টমী এই মন্দিরে মহাসমারোহে পালিত হয়। ৪৪ কাঠা জমির উপর গঠিত এই মন্দিরটি ভুবনেশ্বরের লিঙ্গরাজ মন্দিরের আদলে নির্মিত। মন্দিরে রাজস্থানি মন্দির স্থাপত্যের কিছু বৈশিষ্ট্যও লক্ষিত হয়। মন্দিরের গায়ে ভগবদ্গীতা গ্রন্থের দৃশ্যাবলি চিত্রিত রয়েছে। মন্দিরের নকশা প্রস্তুত করেছিলেন স্থপতি নমি বসু। প্রধান মন্দিরে কৃষ্ণরাধার মূর্তি রয়েছে। বাঁ দিকের শিখরে দুর্গার মূর্তি রয়েছে। ডান দিকের শিখরে রয়েছে ধ্যানমগ্ন শিবের মূর্তি। এটি  বিড়ালা মন্দির কলকাতা নামেও পরিচিত।



Tarakeshwar Temple,Hoogly


 



তারকেশ্বর  মন্দির :

তারকেশ্বর শিবের মন্দির এই শহরের প্রধান পর্যটক আকর্ষণ। মন্দিরটি বাংলা আটচালা শৈলীর মন্দির। মন্দিরের সামনে একটি নাটমন্দির অবস্থিত। অদূরেই কালীলক্ষ্মী-নারায়ণের দুটি মন্দির রয়েছে। মন্দিরের উত্তরে অবস্থিত পুকুরটির নাম দুধপুকুর। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুকুরে স্নান করলে মনস্কামনা পূর্ণ হয়।

সারাবছরই তারকেশ্বর মন্দিরে পূণ্যার্থীদের ভিড় লেগে থাকে। প্রতি সোমবার ও শ্রাবন মাসে শ্রাবনী মেলাতে প্রচুর জনসমাগম হয়। এছাড়া ফাল্গুন মাসে শিবরাত্রি ও চৈত্র-সংক্রান্তিতে গাজন উৎসবেও বহু মানুষ আসেন। সমগ্র শ্রাবণ মাস জুড়ে প্রতি সোমবার শিবের বিশেষ পূজা হয়ে থাকে।

Courtesy : Google, Wikipedia
Mayapur ISKCON Temple 

2 comments:

  1. আপনাদের মাধ্যমে হিন্দুধর্মের হালহকিকত সম্পর্কে জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম। ভবিষ্যতেও জানার আশা রাখি। অসংখ্য ধন্যবাদ

    ReplyDelete
  2. ধন্যবাদ। নিয়মিত আপডেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন অথবা ইমেইল সাবস্ক্রাইব করুন।

    ReplyDelete

পোস্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট করুন। আপনার কোন তথ্য সংরক্ষণ বা প্রকাশ করা হবে না। আপনি Anonymous বা পরিচয় গোপন করেও কমেন্ট করতে পারেন।

অন্যান্য

Post Bottom Ad

আকর্ষণীয় পোস্ট

code-box